বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা


মূলত আপনি বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার মত মিনিমাম রেজাল্ট আছে কিনা,তা দেখতে হবে। যদি মোটামুটি রেজাল্ট ও থাকে আপনি ভালভাবে প্রস্তুতি নিলে ঠিকবেন না কেন? ৩০ তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী সুশান্ত পাল অনার্সে খুব কম সিজিপিএ পেয়ে যদি প্রথম হতে পারে,আপনি কেন নয়? এরকম উদাহরন অনেক। আপনি নিজে অন্যদের উদাহরন হোন।
কতক্ষন পড়তে হবে,এটা একটা আপেক্ষিক ধারনা। কারো ৫ ঘন্টা পড়ে যা মনে থাকে আপনার হয়তো তা ১ ঘন্টা পড়লেই হয়। মূলত আপনি কিভাবে সন্তুষ্ঠ হচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে কতক্ষন পড়বেন। তবে প্রথমে একটা পরিকল্পনা করে নেন কি কি পড়তে হবে,তার উপর নির্ভর করবে কতক্ষন আপনি পড়বেন। মূলত পুরো বিষয়টা আপনার উপর।
কি কি পড়তে হবে না,তা রেডি করুন! বাকি সব পড়তে হবে। আপনি ব্লগটা অনুসরন করতে পারেন নিয়মিত। এটাতে নিয়মিত টিপস থাকবে কি কি পড়তে হবে ।
আসলে বই কেনার চেয়ে গুরুত্বপূন হচ্ছে তা পড়া,বাজারের অনেক বই আছে,কিন্তু আপনার বুঝতে হবে,কোন বইটার লেখা আপনার ভালো লাগছে এবং আপনি তা পড়বেন বা পড়তে ইচ্ছে হচ্ছে বা হবে এবং লিখতে পারবেন । শুধু সবাই ভালো বলছে বলেই কোন বই ভালো হয় যায় না যদি তা আপনার ভালো না লাগে । তাই বই কিনুন আপনার যে বই যে নোট পড়তে ভালো লাগছে তা । কারন যাই,যেখান থেকে পড়েন না কেন,লিখাটা আপনি নিজের মত করে লিখবেন । তবে এখন অনেকে ২ সেট করে বই কিনছে,যেখান থেকে যার যেটা ভালো লাগে পড়ছে । এটা ও করা যায় ।
আমার মনে হয় না নোট পড়া জরুরী । এর চেয়ে নোট আপনি নিজে করাটা জরুরী । দু’চারটা বই থেকে আপনার মত করে কোন প্রশ্নের উত্তর তৈরী করাটাই বরং ভাল । নোট হচ্ছে বিষয়টা আপনি কিভাবে উপস্থাপন করবেন,তার একটা সমন্বিত রুপ,তাই আপনি কিভাবে কোন বিষয়টাকে পরীক্ষকের কাছে উপস্থাপন করবেন,তা একান্ত আপনার ব্যাপার হওয়া উচিত । তবু সময় না পেলে অন্য কারো নোট পড়তে পারেন । কিন্তু নোট পড়াটা জরুরী কিছু না ।
এটা ও পুরোপুরি আপনার বিষয় । আমার জানামতে অনেক ভাল ক্যাডার পাওয়া ব্যক্তি কোচিং করেন নি । আবার অনেকে করেছেন । মূলত কোচিং আপনাকে পড়াশোনায় নিয়মিত করাবে তাই যারা নিয়ম করে পড়তে পারেন না তাদের কোচিং কাজে দিতে পারে । আর অনেক ক্যান্ডিডেটের সাথে থাকার ফলে তাদের পড়াশোনার গতি দেখে গতিটা আপনার মধ্যে আসতে পারে! কিন্তু কোচিং ক্যাডার হওয়ায় জন্য একদম জরুরী কিছু নয় ।
এই প্রশ্নরে আসলে কোন উত্তর নেই। এটা দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার। আপনাকে একবার একজন বলেছিল,ওনি ব্যাংকে চাকরি করেন এখন বিসিএস(শিক্ষা) ক্যাডারে যাবেন কিনা? আমি বলেছিলাম “আপনি ঠিক করুন,আপনি কাউকে স্যার ডাকবেন নাকি আপনাকে সবাই স্যার ডাকবে!?” আপনার জন্য একই কথা । যদি আপনি রাস্ট্রীয়‘মযর্দা ও সম্মান’কে বেশি গুরুত্ব দেন তবে সরকারী চাকরীতে আসতে পারেন । তবে টাকা পয়সার জন্য এসে লাভ নেই। স্বচ্ছল হতে চাইলে আসলে ব্যাংক জব ভালো । তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আপনি কোন চাকরিতে ঢুকবেন,তা আগেভাগে না ও জানতে পারেন,তাই পরীক্ষা দেন আর তৈরি থাকেন । আর লক্ষ্য স্থির করেন কোথায় সত্যি আপনি যেতে চান ।
বিসিএস পরীক্ষার ভাইভায় আপনি কার বোডে পড়বেন তা জানবেন পরীক্ষার ৫ মিনিট আগে। তাই টাকা পয়সা কাকে দিবেন? তবু জানি আপনাকে বুঝানো যাবে না! আসলে আমার পরিচিত কাউকে আমি টাকা দিয়ে টিকতে দেখি নাই!আপনি এইসব কথা শুধু শুনবেন কিন্তু কোন প্রমান পাবেন না। সবাই এরকম বলে,হায় ও কেমনে টিকল,রেজাল্ট ভালো না,কেমনে টিকল?! আসলে এখানেই বিসিএসের মজা,এখানে রেজাল্ট ভালো না হলে ও ঠিকা যায়। নাচতে না জানলে উঠানের দোষ আমরা সবাই খুজি!!
পাবলিক,প্রাইভেট,জাতীয় ইউনিভারসিটি আসলে কোন সমস্যা না। তা না হলে শুধু একটা ইউনিভারসিটি থেকে সব টিকত!!
কেন যাবে না? পড়েন অবশ্যই যাবে।
যেকোন সরকারী চাকরির মতই। ৩০ বছর বয়স পযর্ন্ত । তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকলে ৩২ পযর্ন্ত দেয়া যায়।